মানুষের আকর্ষণ, ভয়, কৌতূহল ও অস্বস্তি—এই অনুভূতিগুলো অনেক সময় মানুষের আচরণ, অভিব্যক্তি এবং অন্যের সঙ্গে যোগাযোগের ধরন দ্বারা প্রভাবিত হয়। কখনো একজন মানুষের নীরবতা অন্যের মনে কৌতূহল সৃষ্টি করে, কখনো তার চোখের দৃষ্টি অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আবার কখনো তার আবেগ নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা কিংবা হঠাৎ দূরত্ব তৈরি করার প্রবণতা অন্যের মনে অনিশ্চয়তা তৈরি করতে পারে।
সম্পর্কের ক্ষেত্রে মানুষের আচরণ বোঝা তাই একটি গুরুত্বপূর্ণ মনস্তাত্ত্বিক বিষয়। বিশেষ করে যখন দুজন মানুষের মধ্যে আকর্ষণ, আবেগ, বিশ্বাস এবং পারস্পরিক প্রত্যাশা কাজ করে, তখন একজনের আচরণ অন্যজনের অনুভূতিকে প্রভাবিত করতে পারে।
১। অকারণে যেসব ছেলেরা সাধারণত চুপচাপ থাকে, মেয়েরা তাদের মনের গভীরতা বুঝতে পারে না, সে ধরনের ছেলেদেরকে মেয়েরা ভয় পায়।
২। যেসব ছেলেরা মেয়েদেরকে পর্যবেক্ষণ করে, কিন্তু কি যে পর্যবেক্ষণ করলো মেয়েরা এটা বুঝতে পারে না, এই টাইপের ছেলেদের মেয়েরা ভয় পায়।
৩। এসব ছেলেরা তাদের নিজের মনের কথা, আবেগের কথা শেয়ার করে না সে বিষয়টিকে মেয়েরা ভয় পায়।
৪। কিছু ছেলেরা হঠাৎ কোনো কারণ ছাড়াই সম্পর্কের দূরত্ব তৈরি করে, এই টাইপের ছেলেদের মেয়েরা ভয় পায়।
৫। যেসব ছেলেরা তাদের আশেপাশের মানুষকে উপেক্ষা করে, আই ডোন্ট কেয়ার ভাবে চলে, সেসব ছেলেদেরকে মেয়েরা ভয় পায়। কারণ মেয়েরা ভাবে, সে যদি আমার সঙ্গেও এরকমটা করে।
৬। কথা বলার সময় যেসব ছেলেরা দীর্ঘক্ষন চোখের দিকে তাকিয়ে থাকে, তখন মেয়েরা বিব্রত বোধ করে এবং অস্বস্তিতে পড়ে যায়, এবং বুঝতে পারেনা। তখনও কিন্তু মেয়েরা ভয় পায়, যে আসলে পরবর্তীতে কি হতে যাচ্ছে।
৭। ফিজিক্যাল রিলেশন এর ব্যাপারে যেসব ছেলেরা নিজেকে অনেক বেশি নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম, তাদেরকে মেয়েরা ভয় পায়। কারন যেসব ছেলেরা নিজেদের সম্পর্ক ও ফিজিক্যাল রিলেশনের ব্যাপারে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন, তাদেরকে মেয়েরা বোকা বানাতে পারে না। এটাও কিন্তু মেয়েদের ভয়ের আরেকটা কারণ।